Monday, 27 April 2020

পুরোহিত



সন্ধ্যা সাতটা। আমি সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি বিবেকদের বাড়ির গলির মুখে পাকা পুলে। আমি, বিবেক আর জয়েশ। পুলের পাশে পাকা রেলিং এর উপর বসে আছে একটা মেয়ে। পরণে লাল রঙের একটা শাড়ি। হাতে দুগাছা সোনার চুড়ি, গলায় একটা সোনার হার। মেয়েটা মাথা নীচু করে বসে আছে। কী ভাবছে কে জানে।
একটু আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। পুলের উপর জল জমে আছে। আকাশ মেঘলা। আবারো বৃষ্টি নামতে পারে।
বিবেক প্রথমে মুখ খুলল, “শালা লালুটার আক্কেল দ্যাখ। সাতটা বাজল এখনও পাত্তা নাই”।
জয়েশ বলল, “হাট বাসের সময় ঠিক থাকেনা। কোথায় বাস নিয়া গ্যাসে আজকে? হলদিবাড়ি না মন্ডলঘাট?”
বিবেক বলল, “মন্ডলঘাট। কিন্তু কতক্ষণ এভাবে মেয়েটাকে বসায়ে রাখব বলতো?”
জয়েশ বলল, “বসায় রাখতে না পারলে বাড়ি নিয়া যা, কখন আসছে! খিদা লাগছে বোধ হয়”। তারপর মেয়েটির কাছে গিয়ে বলল, “কিছু খাবা? বিস্কুট আর চা নিয়া আসি?”
মেয়েটা মাথা নাড়ল। খাবেনা।
বিবেক মেয়েটাকে বলল, “তোমার কাছে টাকা আছে?”
মেয়েটা মুঠ খুলে দেখালো, কয়েকটা দশ টাকার নোট। বলল, “বাবা আসার সময় এই একশ টাকা দিসে, আর এই গলার হার। বলছে, এই দিয়া বিদায় দিলাম। বাড়ি ফিরবিনা কইয়া দিলাম”।
বিবেক বলল, “বাবা মার অমতে বিয়া করবা, তাও আবার হাট বাসের কন্ডাক্টার। লালুর মধ্যে তুমি যে কী দেখলা”।
মেয়েটা ককিয়ে উঠল, “বিবেকদা, আমি লালুকে ভালোবাসি”।
বিবেক খুব তাচ্ছিল্যের স্বরে বলল, “হ্যা, জানি জানি”।
আমি এবার মুখটা দেখার চেষ্টা করলাম। চেনা চেনা লাগল। বিবেক বলল, “তুই দেখসিস ওকে। আমাদের নারায়ণদা আছে না? কদমতলায় সাইকেলের দোকান। ওই নারায়ণদার বড় মেয়ে। দেশবন্ধু স্কুলে পড়ে”।
আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা। লালুকেও  আমি চিনিনা। তাই বললাম, “মেয়েটাকে এখানে নিয়ে এসছিস কেন?”
বিবেক বলল, “ওর বিয়া। আজকে লালুর সাথে। সকালে বাড়ি গিয়া নারায়ণদাকে থ্রেট দিসি, মেয়ের বিয়া লালুর সাথে না দিলে ওর আর বিয়াই হবেনা। সন্ধ্যা বেলায় ছাইরা দিসে। এখন লালুর পাত্তা নাই”।
বিবেক আমার জীবনের প্রথম বন্ধু। প্রথম বন্ধু হলেও এখন আমার সাথে তত ভাব নেই। আমি কলকাতায় ইউনিভারসিটিতে পড়ি। ওরা কোনো রকমে স্কুলের গন্ডী পার হয়ে কলেজে যাচ্ছে বা পড়া ছেড়ে দিয়েছে। তাই ওদের সাথে আমার একটু দূরত্ব তৈরি হয়েছে।  বিবেকদের একটা ক্লাব আছে, নাইন বুলেটস। পাড়ার নজন বকাটে মস্তান ছেলেদের ক্লাব। কাজের মধ্যে, ফুটবল খেলা, আড্ডা মারা, মারামারি করা আর কালীপূজা আর সরস্বতী পূজা করা। এবছর সরস্বতী পূজার পর থেকে নাইন বুলেটস একটু সমস্যায় পড়েছে। তার কারণ ওরা সরস্বতী প্রতিমা বসিয়েছিল একটা গাছের উপর। পুরোহিতকে মই দিয়ে ঠেলে ঠুলে উপরে তুলে পূজা করিয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে নামার সময় পড়ে গিয়ে পুরুৎমশাইয়ের হাত ভেঙে গিয়েছে। তাই শহরের সব পুরোহিত ওদের দেখলেই পালায়।
বিবেক একটা চটি বই আমার হাতে গুঁজে দিয়ে বলল, “এইটা রাখ। বিয়ার সব মন্ত্রগুলি এখানে লেখা আসে”। আমি তো অবাক, “সেকিরে, আমি মন্ত্র দিয়ে কী করব?”
বিবেক বলল, “পান্ডাপাড়া কালীবাড়ির ঠাকুরমশাই বিয়া দিবে। মন্ত্র জানে কিনা কে জানে। তাই আমাদের ঠাকুরমশাইয়ের মন্ত্রের বইটা ঝাইপা আনসি”।
লালু এলো। রোগা কালো, গায়ের জামাটা নোংরা, ঘামে জব জব করছে। এসেই বিবেককে বলল, “বৌ বাজারে বাসটা রাইখা, এই আসলাম। অনেক দেরি হইয়া গেলো”।
লালুর হাতে একটা পুঁটলি। সেটা খুলে লালু দুটো ফুলের মালা বের করল, আর একটা সাদা পাঞ্জাবী। “হাটের থেকে কিনা আনলাম”। তারপর মেয়েটার কাছে গিয়ে বলল, “এই তো আমি আসছি। ভাবনার কিছু নাই”।
লালু গায়ের জামাটা খুলে আমার সাইকেলের কেরিয়ারে গুঁজে দিলো। তারপর রাস্তার কল থেকে জল নিয়ে মুখ হাত ধুয়ে পাঞ্জাবীটা পরে নিলো।
আমরা রওনা হলাম। বিবেকের সাইকেলের রডে মেয়েটা। জয়েশের সাইকেলে লালু আর জয়েশ। আটটা বেজে গিয়েছে। জলপাইগুড়ি শহর এতক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছে। রাস্তায় একটাও রিক্সা নেই।
পুরোনো শিরিষ গাছের ক্যানোপির নীচে রাস্তার ধারে পান্ডাপাড়া কালীবাড়ি। স্থান মাহাত্য আছে। আমাদের দেখেই পুরুৎমশাই, “বাবারা আমি একটু আসতাসি,” বলে বেরিয়ে চলে গেলো। বিবেক বলল, “আর আসবেনা, আমাদের দেখে ভাগসে। পুরুৎ ছাড়াই বিয়া হবে। মা কালী সামনে আছেনা?”
জয়েশ মন্দিরের সবদিক হাতরে পাতরে কয়েক টুকরা পাটখড়ি জোগাড় করে ফেলল। একটা শিশিতে সর্ষের তেল ছিল। তাই ঢেলে দিয়ে আগুন জ্বালালো। বিবেক আমার দিকে ফিরে বলল, “তুই মন্ত্র বল। অগ্নি সাক্ষি করে বিয়া হবে। তুই বিয়া দিবি”।
আমি বললাম, “তুই তো চক্রবর্তী ব্রাহ্মন। তুই বিয়েটা দে”।
বিবেক হেসে বলল, “দূর, আমি আবার কি ব্রাহ্মন। মন্ত্র উচ্চারণ করতেই পারবনা। তুই কবিতা টবিতা লিখিস। তুই ভালো বলতে পারবি”।
আমি সম্প্রদানের মন্ত্র পড়লাম, মালা বদল হল। সিঁদুর পড়ানো হল। আমি ওদের দিয়ে বলালাম, “যদেতত্ হৃদয়ং তব তদস্তু হৃদয়ং মম”। সাত পাক ঘোরানো হল। মন্দিরে একটা পাত্রে কিছু সন্দেশ আর বাতাসা পড়ে ছিলো তাই দিয়ে মিষ্টিমুখ হল।
এই ফাঁকে কখন যেন এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। আকাশে মেঘ কেটে গিয়ে শিরিষ গাছের ফাঁক দিয়ে তারা দেখা যাচ্ছে। মাঝে মাঝে বাতাসের ঝাপটায় ঝর ঝর করে গাছবৃষ্টি ঝরছে।
আমরা আবার সাইকেল নিয়ে রওনা হলাম। লালুর বাড়ি যাবো। টাউনক্লাবের মাঠের পাশ দিয়ে যে রাস্তাটা তিস্তার বাঁধের দিকে গিয়েছে সেই রাস্তায় বাঁধ পর্যন্ত গিয়ে থামলাম। সাইকেল থেকে নেমে হেঁটে যেতে হবে। তিস্তার চরে নতুন যে বসতি তৈরি হয়েছে বন্যার পরে, সেখানে থাকে লালু।
লালুর বাড়ি, বাড়ি না বলে ছাউনি বলাই ভালো। কয়েকটা কাঠের খুঁটির উপর উঁচু একটা কাঠের পাটাতন। তার উপরে মুলি বাঁশের বেড়া দেওয়া একটা মাত্র ঘর। টিনের চাল। লালু ঘরে সামনে গিয়ে মা, মা, করে হাঁক দিতেই সাদা থান পরা এক মহিলা নেমে এলো। লালুকে আর বৌ কে দেখে অল্পক্ষণ চুপ করে থেকে হঠাৎ আকাশের দিকে মুখ তুলে উলুধ্বনি দিয়ে উঠল। তারপর মেয়েটার হাত ধরে বলল, “আসো মা ঘরে আসো”।
লালু আমাদের দিকে ফিরে বলল, “যা তোরা এবার বাড়ি যা”।
আজ একান্ন বছর পার হয়ে গেছে। এখনও মেয়েটার মুখ মনে ভাসে। বিয়ের পর কেমন ছিল কে জানে। এখন কেমন আছে কে জানে।

Sunday, 22 May 2016

তিনজন শিক্ষক ও একজন নাগা ছাত্র

এই গল্পের সবটুকুই শুনেছি অগ্রজপ্রতীম অধুনা প্রয়াত ভূতাত্বিক পতাকীরাম চন্দ্রের মুখ থেকে। ভারতের ভূতত্বের জগতের অনেকের কাছেই পতাকীদা একটি অতি পরিচিত নাম, বিশেষ করে তাঁর অসাধারণ গল্প বলার কুশলতার জন্য।
গল্পের পটভূমি সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারতবর্ষ।
১৯৪৮ সালে কেরামতি আও নামে একজন নাগা ছাত্র আসাম থেকে ভূতত্ব নিয়ে বিএসসি পাশ করে। ফল আশানুরূপ হয়নি। তার ধারণা হয়েছিল সে নাগা বলে তাকে কম নম্বর দেওয়া হয়েছিল। সে ঠিক করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এসসি পাশ করবে। কেরামতি তার গ্রামের একমাত্র ছাত্র যে গ্রাম পার হয়ে প্রথম উচ্চশিক্ষার জগতে প্রবেশ করেছে।
সে সময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগের ক্লাস হত প্রেসিডেন্সি কলেজের ভূতত্ব বিভাগেই, অর্থাৎ বেকার ল্যাবরেটারিতে। বিভাগীয় প্রধান ছিলেন অধ্যাপক নির্মল মুখার্জী। কেরামতি এসে সোজাসুজি নির্মলবাবুর সাথে দেখা করল। নির্মলবাবু সব শুনে বললেন, এত দেরি করে এসেছ? মাত্র দশটা সিট, সব কটি ভর্তি হয়ে গিয়েছে। তাই শুনে তো কেরামতি কান্নাকাটি শুরু করে দিল। নির্মলবাবুর একটু দয়া হল। বললেন, চল প্রমথবাবুর কাছে যাই, দেখি উনি কি বলেন।
প্রমথবাবু হলেন প্রমথনাথ ব্যানার্জী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তিনি মন দিয়ে সব শুনে একটু ভাবলেন, তারপর নির্মলবাবুকে বললেন, নাগাল্যান্ড থেকে প্রথম একজন উচ্চশিক্ষা পেতে চলেছে। একে সাহায্য করা আমাদের কর্তব্য। আপনি ওকে নিয়ে নিন। নির্মলবাবু বললেন, কি করে হবে? সব সিট ভর্তি হয়ে গিয়েছে।
প্রমথবাবু বললেন, আমি একটা সিট বাড়িয়ে দিচ্ছি। আগামী সেনেটের মিটিং এ পাশ করিয়ে নেবো। আপনি ওকে ভর্তি করে নিন। কেরামতী তো ভর্তি হয়ে গেল। কিন্তু তার আরো একটা সমস্যা, কলকাতায় থাকবে কোথায়? আবার নির্মলবাবু তাকে নিয়ে এলেন প্রমথ বাবুর কাছে। প্রমথবাবু বললেন, কোনো সমস্যা নেই। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে নানা জনে অনেক বাড়ি দান করেছে। শ্যামবাজারে একটা এরকম খালি বাড়ি আছে। ও আপাততঃ সেখানেই থাকুক। আমি দা্রোয়ানকে বলে দেবো। কেরামতির একটা হিল্লে হয়ে গেল।
এবার একটু অবনীবাবুর কথায় আসা যাক। অবনী চৌধুরী নির্মলবাবুর ছাত্র। বছর দুই আগে, মানে স্বাধীনতার আগে, এম এসসি পাশ করেছেন। মেধাবী ছাত্র, কিন্তু বামপন্থী রাজনীতি করার জন্য দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও সরকারী চাকরী হয়নি। নির্মলবাবু একদিন ট্রামে করে যেতে যেতে দেখলেন ট্রামের কন্ডাক্টার তাঁরই ছাত্র অবনী চৌধুরী। দেখে ওনার খুব খারাপ লাগল। ফলে আবার সেই প্রমথবাবুর শরণাপন্ন হলেন এবং অবনী চৌধুরীর জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগে আরো একটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি হল।
কলকাতা বিস্ববিদ্যালয়ের ক্লাস হত সকাল বেলায়। কেরামতি ভোরে উঠে শ্যামবাজার থেকে হাঁটতে হাঁটতে কলজে আসত। আবার কলেজের শেষে হেঁটেই ফিরে যেত। গ্রাম থেকে তার পড়ার খরচ বাবদ যে টাকা আসত তাতে ট্রামে চড়ার পয়সা কুলোতো না। এর মধ্যে একদিন কেরামতি লক্ষ্য করল প্রতিদিন কে যেন তার পিছু নেয়। লোকটা শ্যামবাজার থেকে ওর পিছন পিছ হাঁটতে হাঁটতে বেকার ল্যাবরেটারি পর্যন্ত আসে, তারপর আবার চলে যায়।
থাকতে না পেরে কেরামতি একদিন ব্যাপারটা অবনীবাবুকে বলল। অবনীবাবু মেধাবী ছাত্র বলে, কেরামতিকে খুব ভালো বাসতেন। বললেন,  ঠিক আছে একদিন ব্যাপারটা দেখতে হবে।
পরদিন ভোরে অবনীবাবু বেকার ল্যাবরেটারির গেটের পাশে দরজার আড়ালে লুকিয়ে রইলেন। লোকটা ভিতরে ঢুকতেই অবনীবাবু তাকে জাপটে ধরে দারোয়ানকে ডাকতে থাকলেন। অবনীবাবুর বেশ বলিষ্ঠ চেহারা। কিন্তু লোকটা এক ঝটকায় অবনীবাবুর হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করে পকেট থেকে একটা পিস্তল বের করে অবনীবাবুকে তাগ করে বলল, হ্যান্ডস আপ। অবনীবাবু তাতে দমবার পাত্র নন, তিনি এক থাবড়ায় লোকটার হাত থেকে পিস্তল ফেলে দিয়ে এক লাথিতে সেটাকে নিজের ঘরের দিকে পাঠিয়ে দিলেন।
এইবারে লোকটা নরম হল। তারপর পকেট থেকে নিজের পরিচয়পত্র বের করে বলল, আমি আইবির লোক। আমার উপর নির্দেশ আছে এই নাগা ছেলেটির উপর নজর রাখার। জানেন তো নাগাল্যান্ডে ভারতবৈরিতা চলছে।
অবনীবাবু বললেন হুঁ, সব বুঝলাম। কিন্তু আপনি অনুমতি ছাড়া কলেজে ঢুকে অপরাধ করেছেন। এর শাস্তি আপনাকে পেতে হবে। ইন্ডিয়ান পিনাল কোডের ন্যুনতম শাস্তি আপনাকে দিলাম। আমার ক্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে আমার ঘরে বসে থাকতে হবে। লোকটি তাই বসে রইল।
অবশেষে কেরামতির পাঠ শেষ হল, দেখা গেল সে ফার্স্ট ক্লাস পায়নি। বিশেষ করে অবনীবাবুর পেপারে খুব কম নম্বর পেয়েছে। অবনীবাবুকে সে কথা বলতেই তিনি কেরামতিকে বললেন, আমি ইচ্ছে করেই তোকে কম নম্বর দিয়েছি যাতে তুই ফার্স্ট ক্লাস না পাস। ফার্স্ট ক্লাস পেলেই তো তুই জিএসআই তে চলে যাবি। কিন্তু আমি সেটা চাই না। তুই নাগাল্যান্ডের প্রথম ভূতাত্বিক এবং তোদের ট্রাইবের মধ্যে প্রথম উচ্চশিক্ষা পেয়েছিস। আমি চাই তুই নাগাল্যান্ডকে গিয়ে সেখানে তোর সার্ভিস দে। নতুন রাজ্য গঠন হচ্ছে। তুই দেশে ফিরে যা।
কেরামতি অবনীবাবুর কথা মাথা পেতে নিয়েছিল। পরে সে নাগাল্যান্ডের শিক্ষাদপ্তরের উচ্চতম অধিকর্তা হয়েছিল। নাগাল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের কাজ সে করে গেছে সারা জীবন।
আর, তারপর যতবার কলকাতায় এসেছে অবনীবাবুকে প্রণাম করতে ভোলেনি।
     


AdSense